আরব বসন্ত সূত্রপাতের দেশ তিউনিশিয়া ফের অস্থিতিশীল

স্বতঃকণ্ঠ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী হিচেম মেচিচিকে ক্ষমতাচ্যুত করার একদিন পর তিউনিশিয়ার প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইব্রাহিম বারতাজি এবং ভারপ্রাপ্ত বিচারমন্ত্রী হাসনা বেন স্লিমানে কে বরখাস্ত করলেন।

করোনভাইরাস মহামারীকে নিয়ন্ত্রন করার লক্ষ্যে সরকারের পদক্ষেপে বিক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানায় দেশটির জনগণ। এর ফলে শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের যখন সৈন্যরা তিউনিসে প্রবেশ করে। দেশটিতে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ১৮ হাজারেও বেশি বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে রাজনৈতিক সংকট আরও বেড়ে গেছে।

তিউনিশিয়ার বিক্ষোভকারীরা পঞ্চম রাতে আরব বসন্তের বিদ্রোহের আঁতুড়ঘর রাজধানী তিউনিস এবং সিদি বাউজিদসহ বেশ কয়েকটি শহরে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। মহামারীর কারণে অর্থনৈতিক দুর্দশার কারণে ক্ষোভ ও হতাশা আরও গভীর হয়েছে দেশটিতে।

এর আগে মঙ্গলবার তিউনিসে বিক্ষোভকারীরা সমাবেশ করে, এক দশক আগে গণতন্ত্রের সূচনাকারী বিপ্লবে যে স্লোগানটি কাঁপিয়েছিল পুরো আরব বিশ্বকে তা আবার পুনরুজ্জীবিত করে: “জনগণ শাসকদের পতন চায়।”

প্রেসিডেন্ট সাঈদ বলেছেন, তিনি “তিউনিশিয়া, রাষ্ট্র এবং তিউনিশিয়ার জনগণকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন”। সাইদ ঘোষণা করেছিলেন যে “আসন্ন বিপদের” কারণে আগামী ৩০ দিনের জন্য সংসদ স্থগিত করা হবে।

প্রেসিডেন্ট সাঈদ প্রধানমন্ত্রী হিকেম মেচিচিকে বরখাস্ত করার পর তিউনিশিয়ার রাস্তায় সংঘর্ষ শুরু হয়। বিচারমন্ত্রী হাসনা বেন স্লিমানেও সরকারের মুখপাত্র ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী হিকেম মেচিচি এবং আইন প্রণেতাদের মধ্যে অচলাবস্থা এবং বিরোধের মধ্যে রাজনৈতিক সংকট আরও বেড়ে গেছে কারণ সাইদ প্রধানমন্ত্রী মেচিচিকে বরখাস্ত করার জন্য সংবিধানের অধীনে জরুরী ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিলেন।

পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে, বাইডেন প্রশাসন তিউনিশিয়াকে “গণতান্ত্রিক নীতি” মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

অন্যদিকে ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় “যে কোন ধরনের সহিংসতা এড়াতে এবং দেশের গণতান্ত্রিক অবস্থা সংরক্ষণের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক শক্তির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।”

সূত্রঃ আল জাজিরা

আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের জন্য কি বিশ্বকে পড়তে হবে হুমকির মুখে

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন