ভারতে ”ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে” মহামারী ঘোষণা দেওয়া হয়েছে

স্বতঃকণ্ঠ আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে করোনার প্রকোপ কাটাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হচ্ছে সেখানে আরও দুটি ভয়াবহ ভাইরাস জুড়ে বসেছে তাদের উপর।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ভাইরাসকে মহামারী বলে ঘোষণা দেওয়ার অনতি দ্রুতই ধরা পরে আরও শক্তিশালী ভাইরাস হোয়াইট ফাঙ্গাস

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এপর্যন্ত ৩ লাখ ৩হাজার ২৭০ জন মারা গেছে। মৃত্যু হার ক্রমে বেড়েই চলেছে। মৃত আত্মীয়দের দাহ করতে ও দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে লম্বা সাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এবং কখনো কখনো অপেক্ষা করতে হচ্ছে ২ দিন পর্যন্ত।

এই সব কলহের মধ্যেই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস অর্থাৎ আরও একটি নতুন মহামারীর কবলে পড়লো ভারত। মুলত ব্ল্যাক ফাঙ্গাস একটি বায়ু বাহিত রোগ। নিঃশ্বাস এর সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করলে এটি সংক্রমিত হয়। এই ভাইরাসে সংক্রমিত স্থানে খশখশে ও কালো ঘা সৃষ্টি হচ্ছে।

ডাক্তাররা বলেছেন, নাক বন্ধ, মাথা ব্যাথা, চোঁখ ব্যাথা ও লাল ভাব, শ্বাস কষ্ট, কাশি, চোখে ঘোলা দেখা, রক্তাক্ত বমি ইত্যাদি ব্ল্যাক ফাঙ্গাস এর লক্ষন। এটি চোয়াল সহ মুখের আশে পাশে বিভিন্ন জায়গায় সংক্রমিত হয়ে থাকে । ব্ল্যাক ফাঙ্গাস মুলত তারা বেশি সংক্রমিত হচ্ছে যারা করোনা আক্রান্ত রোগী, ডাইবেটিসে আক্রান্ত এবং শারীরিক ভাবে দুর্বল অথবা চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

এপর্যন্ত ভারতের ১৫টি রাজ্যের মানুষ এই নতুন মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছে। দিল্লির হাসপাতালে ২০০টি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্তের কেস এসেছে বলে জানা গেলেও এর আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

এমন সময় নতুন আরাক রোগের সন্ধান দিল ভারত এর ডাক্তাররা যেটির নাম দেওয়া হয়েছে হোয়াইট ফাঙ্গাস। বিহার রাজ্যের ৪ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে এই নতুন ও আরও শক্তিশালী এই ভাইরাস। এটি শরীরে তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পরে বলে একে আরও ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী বলে আক্ষায়িত করছেন ডাক্তাররা ।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শুধু মুখের আশে পাশে ছড়ালেও হোয়াইট ফাঙ্গাস ফুসফুস, যকৃৎ, যেকোনো অঙ্গ এমন কি পুরো শরীরে অতি দ্রুত ছড়ীয়ে পরার ক্ষমতা রাখে।

হোয়াইট ফাঙ্গাসে আক্রান্ত স্থান গুলো সাদা বা শেদ রোগ এর মত রুপ নিচ্ছে। এই রোগে আক্রান্ত হলে বিকলঙ্গ হওয়ার আশংকা রয়েছে জানান ডাক্তাররা।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন