গণসচেতনতাই করোনা প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার

স্টাফ রিপোর্টারঃ সম্প্রতিকালে আশঙ্কাজনক হারে করোনায় সংক্রমন ও মৃত্যু বেড়ে চলায় ভয়ানক মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করে মাদক বিরোধী সচেতন নাগরিক সমাজ এর আহবায়ক বদরুল হক এক বিবৃতিতে বলেছেন করোনার মতো এই অদৃশ্য ঘাতকের বিরুদ্ধে যুদ্ধকালীন সময় বিবেচনায় দেশের সর্বস্তরের মানুষকে এক যোগে রুখে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন প্রতিমুহুর্তে কেউ না কেউ করোনার বাহক হয়ে মৃত্যুর দাওয়াত পত্র আমাদের হাতে পৌছে দিচ্ছে। যার ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।

করোনা বিরোধী লড়াইয়ের সম্মূখযোদ্ধা বদরুল হক আরও বলেছেন এটা আজ প্রমানীত যে, কেবল শহরের প্রধান প্রধান সড়কে সেনাবাহিনীর মহড়া, ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সাজা প্রদান আর রাস্তায় রাস্তায় চেক পোষ্ট দিয়ে করোনাকে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।

করোনা প্রতিরোধে আন্তরিক হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন করোনা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা। কেননা এটা সর্বজন স্বীকৃত যে গণসচেতনতাই করোনা প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।

পাশাপাশি দিন এনে দিন খাওয়া হতদরিদ্র শ্রমজীবী মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা নিশ্চিত করা যাতে তাদের পেটের জন্য রাস্তায় নামতে না হয়।

তবেই করোনাকে মোকাবেলা করা সম্ভব হবে নয়তো স্বজন হারানো কান্নার আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারী হতেই থাকবে। লাশের মিছিল আর থামানো যাবেনা।

করোনা সংক্রামন রোধে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলতে বিশেষ দায়িত্বশীল হওয়ার প্রতি জোর দিয়ে বদরুল হক বলেন, করোনা উত্তরোত্তর যেভাবে তার ধরণ পাল্টাচ্ছে তা গোটা মানব জাতির জীবন জীবিকার জন্য হুমকি হয়ে দাড়াঁচ্ছে।

আরতাই ঘরের বাহিরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা, কর্মস্থল বা ঘরের বাহিরে অব¯হান কালে চোখ, নাক ও মুখের ভিতরে ¯পর্শ না করা, বারবার সাবান পানিতে বিশ সেকেন্ড সময় নিয়ে হাত ধৌত করা, হাঁচি বা কাশি দেয়ার সময় রোমাল-টিস্যু বা হাতের মধ্যভাজে তা চেপে রাখা, নিরাপদ শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখে নিজেদের নিরাপদ রাখা ছাড়া কোন বিকল্প নেই।

আরও পড়ুনঃ পাবনার চাটমোহরে করোনা সচেতনতায় পুলিশের মহড়া

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন