গাইবান্ধার অধিকাংশ মানুষ কৃষি ফসলের উপর নির্ভরশীল।

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার অধিকাংশ মানুষ কৃষি ফসলের উপর নির্ভরশীল। তবে বিভিন্ন সময়ে ধান-সবজিসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করতে বন্যাসহ নানা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তও হন কৃষকরা।

আর এসব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বাড়তি ফসল হিসেবে কয়েক বছর ধরে চাষ করে আসছেন আউশ ধান। এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি।

স্বল্প সময় ও কম খরচে আউশ ধান ঘরে তোলার আশায় চারা রোপণ শুরু করা হয়েছে এ অঞ্চলে।গাইবান্ধার কৃষকরা এখন আপদকালীন ফসল হিসেবে আউস ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

গেল বোরো মৌসুমে ফলন ভালো হলেও করোনাকালে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং একটু বাড়তি আয়ের আশায় তারা কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলার চাষিরা বোরো ধান কেটে ঘরে নেওয়ার পর ওই জমিতেই আউস ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বোরো ধান চাষে প্রচুর ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহত হয়। এতে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে পানির স্তর দিনে দিনে নিচে নামছে যা কাক্ষিত নয়। যেহেতু আউশ ধানের আবাদ বৃষ্টি নির্ভর ।

ফলে কৃষি মন্ত্রণালয় প্রচলিত শস্য পর্যায় পরিবর্তন করে বোরো ধানের চাষ বাদ দিয়ে শস্য পর্যায়ে আউশ ধান অন্তর্ভুক্ত করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।

তাছাড়া বর্তমানে অবমুক্তকৃত উচ্চফলনশীল জাতের চাষ করলে অধিক ফলন পাওয়া যায়।

সুতরাং করোনার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে আউশের স্বপ্নে দিন কাটছে উত্তরের জনপদ গাইবান্ধার কৃষকদের।

আরও পরুনঃ পাবনার সাঁথিয়ায় মহামারী করোনায় জরুরী অক্সিজেন সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন