ঠিক দাফনের আগ মূহুর্তে নড়ে উঠলো মৃত নবজাতক শিশু……

ঢাকা প্রতিনিধি:ঠিক তিনদিন আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় গর্ভবতী শাহিনুর বেগমকে। শাহিনুর বেগম আজ ভোরে স্বাভাবিকভাবেই সন্তান প্রসব করেন।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন দীর্ঘ সময় শিশুটির কোনো হৃদস্পন্দন ছিল না।

জন্মের কয়েক ঘন্টা পরপরই নবজাতক কন্যা সন্তানটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এবং বাবা ইয়াসিন মোল্লার হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একটি প্যাকেটে করে বাচ্চাকে নিয়ে মোহাম্মদপুরের বসিলা কবরস্থানে দাফনের উদ্দেশ্যে যান মিস্টার মোল্লা। আল্লাহর অশেষ রহমতে ঠিক দাফনের আগ মূহুর্তে নড়ে ওঠে বাচ্চাটি।

ইয়াসিন মোল্লার কাছে থেকে জানা যায়, যখন সে নবজাতকটির নড়াচড়া লক্ষ করে সাথে সাথেই সে শিশুটিকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন।তারপর থেকে ডাক্তাররা অনেক চেষ্টা করছেন। শিশুটি বর্তমানে আইসিইউতে আছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন শিশুটিকে রক্ষা করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে ।

ইয়াসিন মোল্লা তথা নবজাতকের বাবা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা।তিনি বলেছেন তিনি কোনো প্রকার অভিযোগ করতে চান না।ডাক্তাররা সবাই প্রানপণ চেষ্টা করছে বাচ্চাটার জন্য।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়াার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলছেন বাচ্চাটি অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ার কারনে এমন একটি দূঘটনা ঘটতে যাচ্ছিল।তিনি আরো বলেন বাচ্চাটিকে কয়েক ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখা সত্বেও কোনো স্পন্দন পাওয়া যায়নি।

বাচ্চাটি একবারো কাঁদেনি এমনকি শ্বাস প্রশ্বাস ছিল না। নিয়মানুযায়ী যত রকম চেষ্টা করা যায় সব চেষ্টার পরেও হৃৎস্পন্দন দেখা না যাওয়ায় বাচ্চাটিকে মৃত ঘোষনা করা হয়। বাচ্চাটির স্পন্দন আসায় আবার তাকে হাসপাতালে আনার পর থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে শিশুটিকে সুস্থ করে তোলার জন্য।

শিশুটিকে এখন নবজাতকদের পরিচর্যা কেন্দ্রে  রাখা হয়েছে। ডাক্তারদের তরফ থেকে যা যা করার সব তারা করছেন ।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন