নারায়ণগঞ্জের সেজান জুস ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগার কারণ

নারায়ণগঞ্জের সেজান জুস ফ্যাক্টরিতে ৬ জুলাই রাতে আগুন লাগে এবং তা ক্রমশ বাড়তে থাকে ।এই ফ্যাক্টরিতে মূলত শিশু খাদ্য প্রস্তুত করা হয় । ৫২ জন মানুষ নিহত হয় এবং ৫০ জন আহত ।

কর্তৃপক্ষ বলছে তারা আরও মানুষদের বাঁচাতে সক্ষম হতো যদি না ফ্যাক্টরির মালিক ফ্যাক্টরির দরজাগুলো বন্ধ করে রাখত । এ আগুন এর উৎপত্তি নিচতলা থেকে শুরু হলেও তা ছাদ পর্যন্ত পৌঁছে যায় ।

সাধারণত ফ্যাক্টরিতে এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা কাজ করে কিন্তু এই অগ্নিকাণ্ডের দিন তাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই সেই দিনের জন্য কাজ শেষ করে বের হয়ে গিয়েছিল ।তবে যারা ভিতরে ছিল তাদের মধ্যে অনেক কর্মকর্তার কোনো চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি ।

মৃতদের স্বজনরা এবং প্রায় সকলেই তাদের মৃত্যুর জন্য দায়ী করছে ফ্যাক্টরির মালিকের এই অসচেতনতা মূলক কাজের জন্য । নিজেদের জীবন বাঁচানোর জন্য অনেকে জানালা দিয়ে লাফিয়ে ও নিচে পড়েছে তবে ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল ।এটি প্রথমবার নয় বাংলাদেশ এমন এর আগেও অনেকবার হয়েছে ।

এই ধ্বংসাত্মক অগ্নিকাণ্ডের কারণ কী হতে পারে তা নিয়ে দুই ধরনের মতবাদ প্রদান করছে মিডিয়া । যেমন একটি সূত্রে জানা গেছে খাদ্যে ব্যবহৃত কেমিক্যাল এর কারণে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে । এই জুসের ফ্যাক্টরিতে মূলত শিশু খাদ্য প্রস্তুত করা হতো যেগুলোর মধ্যে কেমিক্যাল ব্যবহার করা হতো যেগুলোর কারণে এত দ্রুত ও এত ভয়াবহভাবে এই আগুন ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম হয় ।

আরো একটি সূত্রের জানা যায় শর্ট সার্কিট এর থেকে এই আগুনের উৎপত্তি ।তবে তদন্ত এখনো চলছে কারণ এখনও সঠিক কারণ জানা যায়নি ।

আগুনের উৎপত্তি যেভাবে থাকুক না কেন কর্মকর্তাদের বেআইনি ভাবে কারখানার ভেতরে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল।যা কোন কারখানার মালিকেরই অধিকারের মধ্যে পড়ে না । বাংলাদেশের ফ্যাক্টরিতে এটি প্রথম অগ্নিকাণ্ড নয় এমন আরো অনেক ঘটনা অতীতে ঘটে গেছে । এই কারখানাগুলোর মালিকদের জন্য কিছু যথাযথ আইন প্রস্তুত করা প্রয়োজন যাতে করে এই ধরনের ঘটনা আর ভবিষ্যতে না ঘটে ।

আরও পড়ুনঃ পাবনার ফরিদপুরে একই দড়িতে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন