পাবনার সাঁথিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে থাকা এখন ঝুকির ব্যাপার

সাঁথিয়া(পাবনা)প্রতিনিধিঃ পাবনার সাঁথিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে থাকা এখন ঝুকির ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

সরকারি এই ঘর বরাদ্দ পেলেও দেয়াল ধসে দুঘটনার শঙ্কায় ভুমিহীনরা এখনো ঘরে উঠেননি বলে জানিয়েছেন। ঘরে ও মেঝেতে ফাটল ধরেছে। সিমেন্টের প্লাস্টার উঠে যাচ্ছে। ঘরের টিন চুয়ে বৃষ্টির পানি পড়ছে। ছেলে-মেয়ে নিয়ে ফাটল ধরা ঘরে থাকতে চাননা ভুমিহীনরা।

তবে ফাটল ধরা ঘরগুলো দ্রত মেরামত করা হচ্ছে বলে উপজেলা প্রশাসন দাবি করছেন। ঘর বরাদ্দ পেয়ে যে সব ভুমিহীনরা এখনো ঘরে উঠেননি তাদের দ্রত সময়ের মধ্যে ঘরে উঠা নিদের্শ দেয়া হয়েছে।

সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশর্তবর্ষ উপলক্ষে সাঁথিয়া উপজেলায় গৃহহীনদেরকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেয়ার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বেশ কিছু ঘর, মেঝে ও পিলারের ফাটল দেখা দিয়েছে। ফলে আশ্রয় নেয়া সুবিধাভোগী মানুষগুলো আছেন আতঙ্কে ।

ফাটল ধরা ঘরগুলো দ্রত মেরামত করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে দত্তপাড়া গ্রামে সদ্যনিমার্ণকৃত ঘরগুলোর মাটি কেটে ভিত্তি দেয়া হয়নি, উপরেই ঘর নিমার্ণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ নি¤œমানের উপকরণ দিয়ে ঘর নিমার্ণ করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে মুজিববর্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধিনে গত ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রথম পর্যায়ে উপজেলায় ৩৭২টি ভুমিহীন ও গৃহহীন ঘর পায়। প্রতিটি ঘর নিমার্ণে বরাদ্দ দেয়া হয় ১লাখ ৭১হাজার টাকা।

এই টাকা ব্যয়ে নিমার্ণ করা হয়েছে ২টি রুম, একটি টয়লেট, একটি রান্নার রুম ও বারান্দা। চারিদিকে ইটের দেওয়াল ও উপরে সবুজ রঙের টির ছাদ রয়েছে। দু’শতাংশ খাস জমির উপর এসব ঘর নিমার্ণ করা হয়। ঘর ভুমিহীনদের মাঝে বুঝে দেয়া হয় চলতি জানুয়ারী মাসে।

ঘরগুলো পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হন ভুমিহীন পরিবারগুলো। ঘর পাওয়া ভুমিহীনরা জানান, মুজিববর্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ অধিনে দত্তপাড়া ও মাঝগ্রাম গ্রামে অনেক ঘর ৬ মাসের মধ্যে দেয়া দিয়েছে দেওয়াল, মেঝে ও পিলারে ফাটল।

এদিকে কয়েকস্থানে ঘরে লোক না উঠায় রয়েছে তালাবদ্ধ। সরকারি ঘর পাওয়া অজিত চন্দ্র, সোহেল, ফরহাদ,বিলকিস,হাকিম,লোহাই,  রাজ্জাক,আন্ন,পলান চন্দ্র দাস,জমির উদ্দিন, খাতুন জানান, তাদের বেশ কয়েকটি ঘরে ও মেঝে ফাটল ধরেছে।

নিম্ম মানের সামগ্রী ব্যবহার করায় এ অবস্থা হয়েছে। এখন ছেলে-মেয়ে নিয়ে এ সব ফাটল ধরা ঘরে থাকতে ভয় লাগছে। এমন ঘর পেলাম যে ঘর থাকা এখন ঝুকির ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার এসএম জামাল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ দ্রত সময়ে এতগুলো ঘর নিমার্ণ করতে গিয়ে ২/১টা ঘরে শ্রতি-বিশ্রতি ঘটতেই পারে তা দ্রত মেরামত করা নিদের্শ দেয়া হয়েছে। ঘর বরাদ্দ পেয়ে যে সব ভুমিহীনরা এখনো ঘরে উঠেননি তাদের দ্রত সময়ের মধ্যে ঘরে উঠতে বলা হয়েছে।

আরও পরুনঃ পাবনার আতাইকুলা থানার ওসির ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের প্রতি হুঁশিয়ারি।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন