পাবনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব হবে স্মরণীয়- জেলা প্রশাসক

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে উন্নয়নশীল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব হবে স্মরণীয় বলেছেন জেলা প্রশাসক।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেছেন- করোনা মহামারি প্রকোপের কারণে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সকল কর্মসূচী শিথিল করেছিলেন সরকার। যথাযথ পদক্ষেপের কারণে বর্তমানে করোনার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রনে।

বর্তমানে আবার করোনার প্রার্দুভাব বেশী দেখা যাচ্ছে। এ জন্য সবাইকে আরো সচেতন হতে হবে।

এবার স্বাধীনতা দিবস বিষেশ অর্থবহ কারণ একদিকে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী অপর দিকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে।

পাবনায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে উন্নয়নশীল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসব হবে স্মরণীয়। আমরা হব এসব সময়ের সাক্ষী।

এসব স্মরণীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে আগামী ২৭ ও ২৮ মার্চ পাবনা পুলিশ লাইন মাঠে হবে উন্নয়ন মেলা। মেলায় বিনোদনের সকল ব্যবস্থা করা হবে। পাবনার সকল উপজেলায় সার্বজনীনতায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শানিত হয়ে এসব উৎসব পালিত হবে।

রবিবার ২১ মার্চ  সকালে পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভা সূত্রে জানা যায় ১৭ মার্চ যে সব শিশু জন্ম গ্রহন করেছে তাদের বিষেশ উপহার দেয়া হবে। সকল প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জা বাধ্যতামুলক। ৩০ তারিখে ইছামতি নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ শুরু হবে। মানসিক হাসপাতালের জমি উদ্ধারের জন্য এসি ল্যান্ডকে আহবায়ক করে কমিটি করা হয়েছে। সভায় বিষেশ কারণ ছাড়া বিভাগীয় প্রধানদের উপস্থিত থাকতে হবে।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ এর সভাপতিত্বে সভায় এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল রহিম লাল, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিয়ুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল মোমেন, সহকারী পরিচালক ডা. আইয়ুব হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোকলেসুর রহমান, সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম শামসুজ্জোহা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোসলেম উদ্দিন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনসুর রহমান, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোকলেসুর রহমান, অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জমিদার রহমান, চাটমোহর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ মাষ্টার, ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বাকী বিল্লাহ, জেলা কালচারাল অফিসার মারুফা মঞ্জুরী খান, বিআরবিডির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন