রাজশাহীর বাঘার আলোচিত মেয়র মুক্তার আলী গ্রেপ্তার

বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানি পৌর সভার আলোচিত সেই মেয়রকে গ্রফতার করেছে পুলিশ।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজশাহী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি দল শুক্রবার জুলাই (০৯) পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার  পাকশী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এবং  ভোর ০৫ টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম।

পুলিশের মাধ্যমে জানা যায়, গ্রেপ্তারের পর তাকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আড়ানি পৌর এলাকায় তার নিজ গ্রাম পিয়াদা পাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

উল্লেখ্য গত  মঙ্গলবার জুলাই (০৬) স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষক মনোয়ার হোসেন মজনুর বাড়ীতে পুর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা চালায় মেয়র মুক্তার আলীসহ তার লোকজন। এ সময় মজনু ও তার পরিবারের লোকজনকে মারপিট ও বাড়ি ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় প্রভাষক মজনু বাদি হয়ে রাত ০৯ টার দিকে  বাঘা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই রাতেই  বাঘা থানা পুলিশের একটি দল আড়ানী পৌর মেয়রের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় তার  বাড়িতে কয়েক ঘন্টা ধরে তল্লাশি করে-৭.৬৫ অটোমেটিক ১ টি বিদেশি  পিস্তল,৭.৬৫ পিস্তলের ৪টি মেগাজিন,৭.৬৫ পিস্তলের ১৭ রাউন্ড তাজা গুলি,৭.৬৫ পিস্তলের ০৪ টি গুলির খোসা, ওয়ান শুটার ১ টি, দেশী তৈরী বন্দুক ১ টি,এয়ার রাইফেল ১টি, শট গানের ২৬ রাৎন্ড গুলি,১০ গ্রাম গাঁজা,৭ পুরিশা হেরোইন ২০ পিচ ইয়াবা,১৮ লক্ষ টাকার স্বাক্ষর করা চেক ও নগদ ৯৪ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মেয়র মুক্তার আলী পালিয়ে যায়।

তবে তার স্ত্রী জেসমিন আকতার(৪০) তার ২ ভাতিজা,নবাবের ছেলে হাসান (২৫) ও সামিরুলের ছেলে  শান্ত(২৩) দ্বয়কে আটক করে পুলিশ। তখন থেকেই মেয়র মুক্তার আলী পলাতক ছিলেন।

এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ  (ওসি তদন্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন  বলেন, অস্ত্র ও মাদক মামলায় তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরনের প্রক্রিয়া চলমান।

আবার পরুনঃ সিরাজগঞ্জের তাড়াশে করোনা রোগীদের মানবিক সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান প্রভাষক মোক্তার হোসেন মুক্তা।

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন