রাজশাহীর বাঘার পৌর মেয়র মুক্তার আলীকে বহিষ্কার

বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার মেয়র মুক্তার আলীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার  জুলাই (১২-০৭-২১) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপণের মাধ্যমে তাকে এ বহিস্কারাদেশ দেয়া হয়।

প্রঞ্জাপণে বলা হয়, যেহেতু রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলাধীন আড়ানী পৌরসভার মেয়র মুক্তার  আলীর বিরুদ্ধে বাঘা থানায় গত ০৭-০৭-২১ তারিখ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২০১৮ এর ৩৬(১) ৮( ক) ৪১ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।

উল্লেখিত অপরাধ স্থানীয় সরকার পৌরসভা  আইন ২০০৯ এর ধারা ৩২ এর উপধারা (১) এর ( খ) ও ( ঘ) অনুযায়ী মেয়রের পদ হতে অপসারণযোগ্য অপরাধ মর্মে  তার বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য গত  মঙ্গলবার জুলাই (০৬) স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষক মনোয়ার হোসেন মজনুর বাড়ীতে পুর্ব শত্রুতার জের অথাৎ পৌর নির্বাচনে তার বিপক্ষে নৌকা প্রতীকে ভোট করার কারনে হামলা চালায় মেয়র মুক্তার আলীসহ তার লোকজন।

এ সময় মজনু ও তার পরিবারের লোকজনকে মারপিট ও বাড়ি ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় প্রভাষক মজনু বাদি হয়ে রাত ০৯ টার দিকে  বাঘা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই রাতেই  বাঘা থানা পুলিশের একটি দল আড়ানী পৌর মেয়রের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় তার  বাড়িতে কয়েক ঘন্টা ধরে তল্লাশি করে-৭.৬৫ অটোমেটিক ১ টি বিদেশি  পিস্তল,৭.৬৫ পিস্তলের ৪টি মেগাজিন,৭.৬৫ পিস্তলের ১৭ রাউন্ড তাজা গুলি,৭.৬৫ পিস্তলের ০৪ টি গুলির খোসা,

ওয়ান শুটার ১ টি, দেশী তৈরী বন্দুক ১ টি,এয়ার রাইফেল ১টি, শট গানের ২৬ রাউন্ড গুলি,১০ গ্রাম গাঁজা,৭ পুরিশা হেরোইন ২০ পিচ ইয়াবা,১৮ লক্ষ টাকার স্বাক্ষর করা চেক ও নগদ ৯৪ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মেয়র মুক্তার আলী পালিয়েঅভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই রাতেই  বাঘা থানা পুলিশের একটি দল আড়ানী পৌর মেয়রের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় তার  বাড়িতে কয়েক ঘন্টা ধরে তল্লাশি করে-৭.৬৫ অটোমেটিক ১ টি বিদেশি  পিস্তল,৭.৬৫ পিস্তলের ৪টি মেগাজিন,৭.৬৫ পিস্তলের ১৭ রাউন্ড তাজা গুলি,৭.৬৫ পিস্তলের ০৪ টি গুলির খোসা,

ওয়ান শুটার ১ টি, দেশী তৈরী বন্দুক ১ টি,এয়ার রাইফেল ১টি, শট গানের ২৬ রাৎন্ড গুলি,১০ গ্রাম গাঁজা,৭ পুরিশা হেরোইন ২০ পিচ ইয়াবা,১৮ লক্ষ টাকার স্বাক্ষর করা চেক ও নগদ ৯৪ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মেয়র মুক্তার আলী পালিয়ে যায়। তবে তার স্ত্রী জেসমিন আকতার(৪০) তার ২ ভাতিজা,নবাবের ছেলে হাসান (২৫) ও সামিরুলের ছেলে  শান্ত(২৩) দ্বয়কে আটক করে পুলিশ। তখন থেকেই মেয়র মুক্তার আলী পলাতক ছিলেন।

তবে রাজশাহী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি দল শুক্রবার জুলাই (০৯) পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার  পাকশী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এবং  ভোর ০৫ টার দিকে তার এক নিকটাত্বীয়র বাড়ী থেকে আরেক সহযোগীসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পরুনঃ পাবনার চাটমোহে ব্রাজিল ভক্তের ভালবাসা

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন