৩০ মণ ওজনের বডিগার্ডকে দেখতে জানসাধারনের ভিড়

আক্তারুজ্জামান মিরু, ঈশ্বরদীঃ এবারের কোরবানির ঈদের বিশেষ আকর্ষন হতে পারত এই বডিগার্ড গরুটি। কিন্তু করোনা মহামারীর কারনে গরুর হাট ও পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় দেশবাসীর চোখের আড়ালেই পড়ে আছে বডিগার্ড নামক এই বিশাল দেহী গরুটি।

বুধবার ৭ জুলাই সরজমিনে বডিগার্ডকে দেখতে গেলে এই প্রতিনিধিকে গরুর মালিক দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, দেশে যদি এমন পরিসস্থি না আসত তাহলে আমার সখের বডিগার্ডকে ভালো দামে বিক্রি করতে পারতাম। এবং গরুটিকে প্রদর্শন করলে মানুষ দেখে আত্মতৃপ্তি লাভ করতে পারত। কিন্তু দুঃখের বিষয় করোনার কারনে এসবের কিছুই হচ্ছে না।

বডিগার্ড পাকিস্তানি ব্রামার জাতির প্রায় ৩০ মণের কালো রঙের একটি গরু। শান্ত সভাবের, আকর্ষনীয় চেহারার গরুটিকে প্রথম দেখাতেই যে কারো পছন্দ হতে বাধ্য।

বডিগার্ড নামক গরুর মালিক পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার মিরকামারী মুন্নার মোড় এলাকার মৃত ছইমউদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে জিয়াউর রহমান।

গত বছর অনলাইন হাট চালু হলেও আস্থা জনিত কারনে এর তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি। এবছরও প্রায় একই অবস্থা হাটও বন্ধ আবার অনলাইন হাটেও তেমন সাড়া পাচ্ছেন না খামারিরা।

গত বছর দাম তুলনামুলক কম হলেও কেনা-বেচা ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছিল খামারিরা। কিন্তু এবছর একেবারেই গরুর ভালো দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ খামারিদের।

এদিকে এই বিশাল গরু বডিগার্ডের মালিক জিয়াউর রহমান বলেন, গরুটির প্রকৃত মূল্য পেলে তার ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। এই করোনাকালীন সময়ে বডিগার্ডের বিক্রির জন্য একটু দুঃশ্চিন্তায় আছি।

বডিগার্ডের সম্পর্কে জানতে বা আগ্রহী ক্রেতাদের জিয়াউর রহমান তার সাথে সরাসরি ০১৭৩৫-৩৯৫০২৩ এই নম্বরে যোগাযোগ করার আহবান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ পাবনার ঈশ্বরদীতে নাপা ঔষধের চরম সঙ্কট

একই ধরনের খবর

মন্তব্য করুন