ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশের জেলা উপোজেলা পর্যায়ে দৈনিক স্বতঃকণ্ঠে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে । আগ্রহী প্রার্থীগন জীবন বৃত্তান্ত ইমেইল করুন shatakantha.info@gmail.com // দৈনিক স্বতঃকণ্ঠ অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৭১১-৩৩৩৮১১, ০১৭৪৪-১২৪৮১৪

ফুলবাড়ীতে পৌর কাউন্সিলর মাজেদুর রহমানের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত সময় ০২:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মে ২০২২
  • / 116

ফুলবাড়ীতে সংবাদ সম্মেলন

ফুলবাড়ীতে ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাজেদুর রহমানের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের প্রতিবাদে ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন কাউন্সিলর মাজেদুর রহমান। ছবি: প্লাবন শুভ

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০১:৫৭ অপরাহ্ন, ২৮ মে ২০২২

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সরকারি ভূমি দখলকারী আখ্যা দিয়ে পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাজেদুর রহমানের বিরুদ্ধে মাঠদখলের মিথ্যা অভিযোগে মানববন্ধনের প্রতিবাদে গতকাল শনিবার সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেলা সাড়ে ১১টায় ফুলবাড়ী প্রেসক্লাব সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওয়ার্ড কাউন্সিল মাজেদুর রহমান বলেন, গত ২৫ মে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চত্বরে আমার বিরুদ্ধে সরকারি জমি মাঠ দখলের মিথ্যা অভিযোগে মানববন্ধন হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের সংবাদ প্রচার হয়। গ্রামবাসীর একাংশ ভুল তথ্য দিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। আমি ও আমার পরিবারের লোকজনরা বিনিময় দলিলমূলে মৌজার ১৯২ সি.এস, এস.এ ২৬২ ও ২৬৬ খতিয়ানে ১৮১৬ দাগে মোট ২ দশমিক ৭৮ একর জমি প্রাপ্ত হই। ১৯৬৪ সাল থেকে আমি সেই জমি ভোগদখল করে আসছি। চলতি ১৪২৯ বাংলা সন পর্যন্ত খাজনাও পরিশোধসহ নিজ নামে মাঠ পর্চাও আছে। খতিয়ান-৯৫০৫, বর্তমান দাগ ৯৫১৮, ৯৫১৯, ৯৫২০ মোট সম্পত্তি ২ দশমিক ৭৮ একর। এসব জেনেও একটি কুচক্রীমহল একতরফাভাবে জমিকে খাস বলে প্রচার করছে।

তিনি বলেন, শ্মশানের জমি দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন গত মার্চ মাসে ১৮১৫ দাগের জায়গাটি শ্মশান কমিটিকে ব্যবহারের মৌখিক অনুমতি দেয়। শ্মশান কমিটি উক্ত জমি বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা দিলে আমার ১৮১৬ দাগের কিছু অংশ তাদের মধ্যে চলে যায়। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করলে গত ২ এপ্রিল উপজেলা সার্ভেয়ার, পৌর সার্ভেয়ারসহ আশপাশের জমি মালিক ও শ্মশান কমিটির উপস্থিতিতে ১৮১৬ দাগের সীমানা নির্ধারণ ও নকশা করে দেন। ১৮১৫ দাগের জায়গা মেপে শ্মশান কমিটিকে বুঝিয়ে দেন। প্রশাসন আমার জমির সীমানা নির্ধারণ করে দেয়ায় আমি উক্ত জমিতে ধৈঞ্চা চাষ ও গাছ রোপন করি।

তিনি আরো বলেন, কিছু অসাধু মহল গ্রামের সহজসরল লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করতে উৎসাহিত করছে। তারা ১৮১৬ দাগে খাসজমি হিসেবে উপস্থাপন করছে। তারা স্কুল চলাকালীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গিয়ে তাদের হাতে ভুলে ভরা প্ল্যাকার্ড ধরিয়ে দেয়। আমি একজন নির্বাচিত কাউন্সিল, পারিবারিকভাবে আমাদের আত্মমর্যাদা রয়েছে। মূলত সমাজের কাছে আমার ও আমার পরিবারের সুনাম ক্ষুন্ন করতেই এলাকার কুচক্রীমহল কথিত মানববন্ধন করেছে৷ আমি এই কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ওই কুচক্রীমহলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম আকন্দ, সহকারী শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মন্ডল, মোকলেছুর রহমান, শফি উদ্দিন মন্ডল, আব্দুল খালেক, রেজওয়ানুর রশিদ রানা প্রমুখ।

 

 আরও পড়ুনঃ

 আরও পড়ুনঃ

ফুলবাড়ীতে পৌর কাউন্সিলর মাজেদুর রহমানের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত সময় ০২:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মে ২০২২
ফুলবাড়ীতে ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাজেদুর রহমানের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের প্রতিবাদে ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন কাউন্সিলর মাজেদুর রহমান। ছবি: প্লাবন শুভ

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০১:৫৭ অপরাহ্ন, ২৮ মে ২০২২

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সরকারি ভূমি দখলকারী আখ্যা দিয়ে পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাজেদুর রহমানের বিরুদ্ধে মাঠদখলের মিথ্যা অভিযোগে মানববন্ধনের প্রতিবাদে গতকাল শনিবার সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেলা সাড়ে ১১টায় ফুলবাড়ী প্রেসক্লাব সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওয়ার্ড কাউন্সিল মাজেদুর রহমান বলেন, গত ২৫ মে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চত্বরে আমার বিরুদ্ধে সরকারি জমি মাঠ দখলের মিথ্যা অভিযোগে মানববন্ধন হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের সংবাদ প্রচার হয়। গ্রামবাসীর একাংশ ভুল তথ্য দিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। আমি ও আমার পরিবারের লোকজনরা বিনিময় দলিলমূলে মৌজার ১৯২ সি.এস, এস.এ ২৬২ ও ২৬৬ খতিয়ানে ১৮১৬ দাগে মোট ২ দশমিক ৭৮ একর জমি প্রাপ্ত হই। ১৯৬৪ সাল থেকে আমি সেই জমি ভোগদখল করে আসছি। চলতি ১৪২৯ বাংলা সন পর্যন্ত খাজনাও পরিশোধসহ নিজ নামে মাঠ পর্চাও আছে। খতিয়ান-৯৫০৫, বর্তমান দাগ ৯৫১৮, ৯৫১৯, ৯৫২০ মোট সম্পত্তি ২ দশমিক ৭৮ একর। এসব জেনেও একটি কুচক্রীমহল একতরফাভাবে জমিকে খাস বলে প্রচার করছে।

তিনি বলেন, শ্মশানের জমি দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন গত মার্চ মাসে ১৮১৫ দাগের জায়গাটি শ্মশান কমিটিকে ব্যবহারের মৌখিক অনুমতি দেয়। শ্মশান কমিটি উক্ত জমি বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা দিলে আমার ১৮১৬ দাগের কিছু অংশ তাদের মধ্যে চলে যায়। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করলে গত ২ এপ্রিল উপজেলা সার্ভেয়ার, পৌর সার্ভেয়ারসহ আশপাশের জমি মালিক ও শ্মশান কমিটির উপস্থিতিতে ১৮১৬ দাগের সীমানা নির্ধারণ ও নকশা করে দেন। ১৮১৫ দাগের জায়গা মেপে শ্মশান কমিটিকে বুঝিয়ে দেন। প্রশাসন আমার জমির সীমানা নির্ধারণ করে দেয়ায় আমি উক্ত জমিতে ধৈঞ্চা চাষ ও গাছ রোপন করি।

তিনি আরো বলেন, কিছু অসাধু মহল গ্রামের সহজসরল লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করতে উৎসাহিত করছে। তারা ১৮১৬ দাগে খাসজমি হিসেবে উপস্থাপন করছে। তারা স্কুল চলাকালীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গিয়ে তাদের হাতে ভুলে ভরা প্ল্যাকার্ড ধরিয়ে দেয়। আমি একজন নির্বাচিত কাউন্সিল, পারিবারিকভাবে আমাদের আত্মমর্যাদা রয়েছে। মূলত সমাজের কাছে আমার ও আমার পরিবারের সুনাম ক্ষুন্ন করতেই এলাকার কুচক্রীমহল কথিত মানববন্ধন করেছে৷ আমি এই কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ওই কুচক্রীমহলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম আকন্দ, সহকারী শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মন্ডল, মোকলেছুর রহমান, শফি উদ্দিন মন্ডল, আব্দুল খালেক, রেজওয়ানুর রশিদ রানা প্রমুখ।

 

 আরও পড়ুনঃ

 আরও পড়ুনঃ